এক রাজার বিশাল বোরো বাগান .রাজার বাগানে অনেক ঘুরে হাতি গাধা ভেইরা হুনুমান অনেক জীবজন্তু পুশার শোক ,আসে ,বাগানে আমি কাঁঠাল কালা খাচ্ছে যাচ্ছে , কিন্তু কোনো টুটি নেই পশুর ,
এক দিন হুনুমান বোলো আমাদের এত আরামের খাবার খেলে পরে কপালের দুখু হবে
, চলো আমরা এখান থেকে চলে যাই .আরাম বোরো হারাম , হুমানের কথা কে
শুনলো না , হিউমান এক চলে গেলো , এক দিন সকালে পশুদের ছেড়ে দিলো যখুন , তখন রানী রান্না করছিলো ,পরের দিনকে সয়ে একাবটা ,তখন প্রতিদিন সকালে সব্জী গুলো খেয়ে নিতো ভেড়াতে , এক দিন রানী রেগে গিয়ে আগুনের শক্তি দিয়ে ছুড়ে মারলো , ভেড়ার গাই ,ভেড়ার শরীরে অনেক বব চুল ,আগুনের উশটাকিতে আগুনলেগে গেলো , ভেরারটা দাড়িয়ে ভেড়ার ঘরে ধুলো ,ঘরে অনেক আরো ঘুরে ছিল বাদ , ভেড়ার শরীরথেকে ঘরে লেগে গেলো আগুন ,ঘুরে গুলো সব পুড়ে গেলো আগুনে , কিছু ঘুরে মোর গিয়ে ছে , কিছু বেছে আছে ,রাজামহাশয় কে জুক্কিটি দিলো ভেড়াতে , বোলো যে রাজামহাশয় হান্নুর চর্বি মাখালে তাড়াতাতি ভালো হয়ে যাবে ঘুরে , তাই রাজামহাশয় ভেড়ার কথা শুনে হুনুমান গুলো সব মেরে ফেললো ,চর্বি লাগেটগলো তাই কি ভালো হয় ,না সব ঘুরাগুলো মরেগেলো ,
তার পর ,অনেক দিন পর যে হুমানতা ফেরে এল রাজামহাশয়ের বাড়িতে ,রাজাহামশাই কে বোলো হুনমান কেমন আছেন রাজামহাশয় রাজা বোলো ভালো আছি , হিউমান বোলো রাজামহাশয় আরো আমাদের সাথী গোল কয় , রাজামহাশয় বোলো ঘুরে বাঁচাতে হুনমান গুলো মেরেফেলেছি ,কেন রাজামহাশয় ?, ঘুরার গাই আগুনলেগেগিছিল , তাই ভেড়া বোলো যে জুককিটি দিচ্ছি হুনুমানের চর্বি মাখালে ভালোহয়ে যাবে ,
হুনুমান মনে রদুঃখ নিয়ে চলে যাই রাস্তা দিয়ে , কিছুক্খুন জোর পর দেখে হুনুমান ,এক নদীর ধরে এক পাকুড় গ্যাস আছে ,হুনুমান গাছের তোলাতে মাথা ধরে বসেরওয়েল , হুনুমানের চিন্তায় মাথায় হাত , হুনুমান বসে বসে নদীতে নামার রাস্তাটা ডাকছে ,কিন্তু উপরে উত্তের রাখা কেন নেয় , বেল বয়ে যাই ,হটাৎ দেখে নদীতে দেখে এক কুমির উঠে বলে হনুমা তোমার জন্যে আমার আহার হলো না , কেন কিমির মহাশয় ? , কিমির বলে তুমিতো গাছের তোলাই বসেরওয়ে ছ তাই এক তও গরু মহেশ ছাগল ভেড়া কেও জল খেতে আছে নি , তাই আমার আহার হলো না ,হনুমান বলে ঠিক আছে ভাই তুমার আহার ানে ডুব , আমার এক কথা শুনতেহবে , কুমির বলে বোলো ভাই কি কথা ? হনুমান বলে আমাকে বদ শুনার চেন দিতে হবে ,

No comments:
Post a Comment